সবকিছু ওলটপালট
স্নায়ু উত্তেজিত বারবার বসন্তে,
সময়ের স্রোতে ভাসমান পাখি কুহেলিকা
আজন্ম শোধ নেবে কাকেদের ঘরে।
কিশোরী, ঝরে যাওয়া ফুলের মালা গেঁথে রেখে দেবে শিথানে.
আর কিশোরের উত্‍পাতে মালা শুকিয়ে যাবে দিনান্তে যখন আবার ঝরে পড়বে বাসি ফুল অগণিত
ভোরের আকাশ জুড়ে তারাদের খেলা শেষে উঠে আসবে মস্ত সূর্য
ফুটফুটে সকালে কিশোরীর নগ্ন পা মই দেবে বিছানো শয্যাতে অথবা বাগানে
কোমল হাতে শরীরের বাড়ন্ত অঙ্গে হাতছানি দেবে চাঁদ
মুঠো ভরে ধরতেই এনে দেবে পুলক-স্বাদ।
ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ভাববে সে আলো আঁধারের খেলা পশ্চাতে
ধীর স্থির আনমনে চমকে উঠবে বাতাসের সাথে ভেসে আসা গন্ধে
সমদ্রের ঢেউয়ের মতো ফেনিল স্রোত বহুবার বয়ে যাবে অন্তরে নীরবে
বালিশে মুখ গুজে খুজে নেবে অস্পর্শিত অনুভব রন্ধ্রে রন্ধ্রে-
কিশোরী নব্য প্রেমের জ্বালায় স্বাগত জানাবে আর শোধ নেবে তার যন্ত্রণাতে
ইশ। তারপর প্রতিদিন সন্ধ্যেয় পড়ার টেবিলে বই রেখে চলে যাবে ভাবনার জগতে
যেখানে কেউ বাঁধেনা তার ডানা মেলা স্বপ্নকে,
মুক্ত হয়ে করে যেতে পারে তার নব্য প্রেমের বন্দনা
আকুলে।