অফিসের বিভিন্ন কাজে প্রায় প্রতিদিনই জেনারেটিভ এ আই যেমন চ্যাটজিপিটি, ডিপসীক ব্যবহার করি—কখনো নতুন কিছু বুঝতে-শিখতে, কখনোবা সমস্যা সমাধানে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি ইংরেজিতে কিছু লেখতে হলে সেটার বানান, ব্যাকরণ এইসব ঠিক করার কাজে। আর কোনও ইংরেজি ডকুমেন্ট পড়তে হলে সেটা বুঝার কাজে। ইন্টারনেটে যেহেতু ভালো মানের ইংরেজি কনটেন্টের বিপুল সমাহার, সেহেতু চ্যাটজিপিটিরা ইংরেজি বেশ ভালো পারে এবং বলতে দ্বিধা নেই অন্তত আমার চেয়ে ভালো পারে। অনেক সময় বানান, ব্যাকরণ ঠিক করতে দিলে ওরা নতুন শব্দ, বাক্য সাজেস্ট করে যা লেখার মানকে আরও উন্নত করে।
অফিসের কাজের বাইরেও ইংরেজি সাহিত্য পড়ার ক্ষেত্রেও জেনারেটিভ এ আই বেশ কাজে লাগে আমার। যখনই কোনও বাক্য বুঝতে সমস্যা হয় চ্যাটজিপিটি সেটা বেশ ভালো ভাবেই ব্যাখ্যা করতে পারে। তো চ্যাটজিপিটির চমকপ্রদ সাহিত্য জ্ঞানে অভিভূত হয়ে, কৌতূহল বশত আমার একটা কবিতা তাকে রিভিউ করতে বলি। যদিও এরা ইংরেজির মতো বাংলায় অতটা পারদর্শী না তারপরও চ্যাটজিপিটির রিভিউয়ের গভীরতা আমাকে বেশ অবাক করেছে। কবিতার মূল ভাব  বুঝার ক্ষেত্রে সে প্রায় নির্ভুল। আমার কবিতাটা ২০২৩ সালে লেখা, সে সময় “আয়নাঘর” ছিলো বহুল আলোচিত, সেই আয়নাঘর কে আমি “আরশি নগর” লিখেছি যেটা চ্যাটজিপিটি ধরতে পারেনি, আর  "দুর্বিনীত শিখা” এর ব্যাপারটাও ঠিক ভাবে বুঝতে পারেনি তাছাড়া বাকি বিষয়গুলো ঠিকই বুঝতে পেরেছে।

কবিতাসহ সম্পূর্ণ রিভিউ দেখতে এই লিংকে যেতে পারেন অথবা শুধু রিভিউ দেখতে চাইলে পোস্টের সাথে দেওয়া ছবিটা দেখতে পারেন: https://chatgpt.com/share/67b83812-55a4-8009-ae99-dc169a0d0382?fbclid=IwY2xjawI2GVJleHRuA2FlbQIxMQABHaXS8fgjFB4sUmc7pAAQgJx3CYpwGCpcTyXHKh-Ws-ENQD8rq--NDEZy9g_aem_76wKcTsjcV8lB_09wIij7g

লিংকে গেলে দেখবেন শুধু রিভিউ নয় বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছে। আমরা জেনারেটিভ এ আই এর যুগে প্রবেশ করেছি কেবল, ভবিষ্যতে এরা আরও বেশি দক্ষ হবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। এখনই এরকম  অনেক টুল আছে যারা লিখতে পারে, আঁকতে পারে। ভবিষ্যতে এরা যখন বাংলায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে নতুন কনটেন্ট তৈরিতে না হলেও অন্তত কনটেন্ট সম্পাদনায় শক্তিশালী হাতিয়ার হিসাবে কাজ করবে।