নবযৌবনে উল্থিত কিশোরী নয়ন সরসী সাজায়।
ঐ যে দূরে বসে আঙ্গিনায়, নিশ্চুপে দেখার আশায়।

মনে মনে গুনগুনিয়ে প্রণয়ের গান বুনায়।
ছন্নছাড়া মনটা যেন, কি যে একখানা চায়?

কিন্তু বলেনা আমায়, রইছে বুঝি অজানায়।
গুমোট বাঁধা মনে শুধু একটা শান্তনার আশায়।

বুকের অন্দরে ব্যাকুলতার ঝড় মাতাল করে প্রহর।
তোমাতে প্রিয় আমার আকাশ বাড়ছে প্রীতির বহর।

শুনো প্রিয় তুমি নিশ্চুপ, শুধু আমিই সুধাবো আজ।
বিলম্ব সহেছি বহু প্রতীক্ষায় করবোনা আজ লাজ।

মনঃস্তলে আঁকিবুঁকি করে সাজিয়েছি হৃদয়ের কথা।
মাহেন্দ্ৰক্ষণের নিশিতো আসরে রইবো যুগলে সেথা।

তব উদ্ধত চরণের নূপুরের ধ্বনি কর্ণকুহরে লাগে।
যেভাবে এলে মম দ্বারে, দুঃসাহস দেখিনি তো আগে।

শুনো হে প্রণয়বালা, আমিও গিয়েছি তোমাতে হারায়।
তব শাণিত দৃষ্টির অপলকে তুমি রেখেছো মোরে জড়ায়।













রচনাকালঃ ২৮/১২/২৪ইং