সে কী আর আমাকে দুঃখ দেবে - যার সুখ চুক্তির খামে বন্দি
বন ফুলের চাষ করে
যে ধুয়ে ফেলতে চায় পারিজাত্য্।
হরিণীর করুন আর্তনাদে যে চোখ পাকায়
আমিই সেই অবলা যার দৃষ্টি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল-
নিছক সন্নিকটে,
সুখের ধাঁধাতে বাঁধা, দেওয়ালের চার গন্ডিতে।
বুঝতে পারিনি আমি তার উদ্দ্যেশ্য,
হয়েছিল দৃষ্টিভ্রম।
সুখের ঔরসে ভেজা নষ্ট ফুলের কলঙ্ক-
এভাবে কী মুছা যায় ?
দুর্ভাবনার এই সখ একবারে কী মেটা যায় ? যায় না।
দিও তবে চিঠি;
যদি আমাকে ভুলতে না পারো।
আমিই হলাম সেই ঘাতক যার বিলাসিতা কোনোদিন গোপন করনি।
তাহলে দাও একবার,
তোমার তারুণ্যের চুক্তি
দেখব ষোলো আনা খামে-
আরো যদি কিছুদিন বাড়াতে চাই।
লেখ একটিবার, ছুঁয়ে দেখব ,
পারলে বাড়িয়ে দেব আবার-
সেই দুরাত্রির সখ, সাথে সেই গোপনীয়তা
পাতা খুলে দেখব
হয়তো বা যৌবনের সেই জৌলুস খসে পড়বে হাতে
তবুও চালিয়ে নেব।