আজ ক'টা দিন কাটছেনা যে ভাল,
কাজে কাজে হচ্ছে এলোমেলো।
হাতের কলম খাতা;
রইল পড়ে যেথায় ছিল সেথা।
সরস্বতী-মা বর দেবেন ,তায় -
আছি বসে সেই ভরসায় ;
ছন্দ-বাণী উজল হয়ে
আসবে কবে মোর কবিতায়?
পাঠক-ভক্ত আছেন অপেক্ষায়-
নতুন কাব্য পাঠের আশায় ।
আয়রে বাণী সুরের ধারা,
লয়ে মায়ের চরণ সাড়া ।
আমার শূন্য খাতার প্রতি পাতায়;
ভরে ওঠুক গীত-কবিতায় ।
মা যদি দাও একটু আশীষ
জুটবে মম শিরে উষ্নীষ।
জয় পরাজয় ধার ধারি না রে,
এই ধূলি-মা'র খেলা ঘরে ।
আমার জীব-কর্ম হউক সাড়া;
লয়ে সত্য-ন্যায়ের ধারা।
জাতের পুঁজা পুঁজতে গিয়ে দিচ্ছি দৌঁড়,
আর ভগবানের পুঁজার থালা তো শূন্যই মোর।
তবু রস -বিরসে বাঁজাই বাঁশি,
ভাল-মন্দের হিসেব এতো আর না কষি।
যা পারি আর না পারি
সামর্থ্য যা তাহাই করি।
হায় ক্ষণিকের ক্ষণিক জীবন
ফুরায় সব বিজলির মতন।
এ ক্ষুদ্র জীবনে;
দেব না ব্যথা কারো মনে,
এই হউক প্রতিজ্ঞা আমার,
তোমার, সবার।
বিকাল জানেনা সকাল ফুরায়;
রজনী জানেনা বিকালও হারায়।
বারে বারে আসে বারে বারে হারায়
হারালে জীবন ফিরে না ধরায়।
জন্ম- মৃত্য ছলনা করিয়া খেলেছে প্রাণের খেলা,
প্রাণের উৎসব ধরায় এ যে ক্ষণিক মেলা।
রইবনা আমি রইবে কর্মখানি,
তাই যদি হয় সাঁজাই তবে কর্ম-কুসুম -দানী।
জীবন বৃন্তে দু'টি কুসুম ,সুখ ও দুখ্,
একটিকে জড়িয়ে ধরে, আরটি হতে সবাই বিমুখ।
তবু এরা জীবন মাঝে জড়িয়ে থাকে নিবিড় ভাবে,
একটি ছাড়া আরটি যেন খুন্ন যাবে।
সময় যেন বাতলিয়ে দেয় কখন কি যে করতে হবে,
অনুভুতির দরজা গুলা খুলাই রাখছি তবে।
কালের ইঙ্গিতে আঁখির তুঁলিতে স্বপ্ন জাগে,
বসন্ত না এলেও ফুটাতে হবে ফুল বাগে।
সমীর হউক সুবাসিত সে ফুলের সৌরবে,
আনন্দে চঞ্চল হউক মন গৌরবে।