সুখের সংজ্ঞা কি! কারে বলে সুখ?
বিশ্বময় জ্ঞানীগুণী হচ্ছে পেরেশান!
পেরেশান কতশত হাজার দার্শনিক!
লিখছে পণ্ডিত কত থিওরি-থিসিস!
তবু, পায় না উত্তর, কোনটা সঠিক!
স্বস্তি পায় বলে, সুখটা আপেক্ষিক!
সময়ের সাথেও তার ঢের ব্যবধান-
অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের মাঝেও
আছে তার কতরূপ স্বাতন্ত্র-তফাৎ!
আধুনিক সমাজে দেখি, সুখের তরে
নেশার পসরা বেচে, গড়ছে প্রাসাদ!
অথচ যারা নেশা করে! হয় বরবাদ!
সেও বুঝি পায় মনে-অভিনব সুখ!
গাজায় চুক্তি করে যুদ্ধ বিরতি তরে-
মারা শুরু করে আবার পশ্চিমতীরে!
নইলে পায় না বুঝি, খুব বেশি সুখ!
খুন হয় যারা! তারাও কি পায় সুখ?
মানুষ কেন চুরি করে অপরের ধন?
করছে ষড়যন্ত্র অন্যকে করতে খুন!
অথবা করে অন্যের অর্থ আত্মসাৎ?
ওখানেও থাকে বুঝি বৈচিত্রময় সুখ!
আজকের রাজনীতিটাও কত বিচিত্র!
কেউ করে না সহ্য অন্যের অবদান!
শেকড় কেটে ভাসায় আপন সাম্পান!
জনতার ঘারে চেপে করে জয় অর্জন-
তবুও তারে করে ওরা কত অপমান!
হাজির করতেই থাকে সাক্ষ্য প্রমাণ!
বিভেদ সৃষ্টি করে ভেঙ্গে দেয় একতা!
দেখাতে চায় ওরা বড় বেশি মহীয়ান!
নাটের গুরু সেজে ছলনা করে ভাঙ্গে-
তারপরও আহবান করে ঐক্য গড়ার!
কেউ কারো নিমিত্তে করে কারসাজি!
পরকে জোরেশোরে বলে দেয় পাজী!
সেখানেও আছে বুঝি, নান্দনিক সুখ!