সঙ্গনিরোধ নির্জনতায় নিরাপদ আবাস হালের
তফাৎ হও তুমিই মডেল হবে করোনা কালের!
২.
মুহূর্তের খুন দেখি এই কঠিন সময়ের কশাঘাতে
মিথ্যে দিয়ে পূণ্য মুছি দিন দুনিয়ার হিসেব হাতে!
৩.
তোমার স্পর্শের জ্বরে কাঁপে সমস্ত শরীর
কমবে তা সেই ক্ষমতা কই ওই ওষুধ-বড়ির!
৪.
আগুন নিয়ে খেলতে বসে পুড়ে যাবার ভয়ইতো মিছে
মাছ খাবে তো হুলোবেড়াল বিধবে কাঁটা গলার নীচে!
৫.
আজ আমার মন ভালো নেই মনের অনেক জ্বর
তুমি বৃষ্টি হলে হতেই পারো ভেজাতে আমার ঘর!
৬.
এ-এক আজিব সময়, কঠিন কাল এক পৃথিবীতে
বিশ্বের যতো বড়ো বড়ো বাজ ছোট হয় অদৃশ্য কীটে!
৭.
তোমার ঐ চোখে এক সমুদ্র নূন
নিজের মাঝে নিজেই হচ্ছো খুন!
৮.
আজন্ম স্বাধীন প্রাণ,জন্ম থেকেই ছিড়ছে পিছুটান
সেধে স্বর্গ দিলেও মানবে না সে আত্মার অসম্মান!
৯.
রাত তোমার স্মৃতির জঠরে রেখো
আমার অস্তিত্বের গন্ধ গাঁয়ে মেখো!
১০.
এক দুঃস্বপ্নের ভেতর কাল হঠাৎ ঘুম গেলো টুটে
দেখি আমারই দু-হাত আমাকে হত্যা করতে ছুটে!
১১.
হে প্রিয় মরণ, এতো দূরত্ব কেন রাখো?
ললাটে তোমার তামাটে স্পর্শ আঁকো!
১২.
কতোই তো বলি ভালোবাসি ভালোবাসি! এতোই কি সহজ ভালোবাসা?
এক জীবনের দাম চুকিয়ে অনেক টুকু মূল্য দিয়ে কিনতে হয় এই কীর্তিনাশা!
১৩.
আজ সারারাত কথা হবে, অনুভবে হবে কিছু আলাপন
এ রাতে আমার আর ঘুম হবে না; চলো শুনি শিশিরের গান!
১৪.
একটা কল্পিত চরিত্রের ভেতর প্রবাহিত পূর্ণতার রসাস্বাদন
যতটুকু নিঙরে নেবার নাও চোখ বন্ধ স্বপ্নের জাগ্রত সিংহাসন!
১৫.
আমার ‘তুমিটা’ অধরা জাতকের পলাতক পাখি
যার উড়ন্ত ডানার চিহ্ন খুঁজে মৃত্যু অবধি থাকি!
১৬.
তোমাকে মনে পড়ে না কতোদিন! কতোদিন আমি নিজেকে ভুলেছি
তোমাকে ভুলে থাকা যে নিজেকে ভুলারই সামিল, দেখো তবুও বেঁচেতো আছি!
১৭.
তোমায় অশ্রুজলে সিক্ত করি নিয়ম করে রোজ
কোথায় তুমি কেমন আছো নেই জানা সেই খোঁজ!
১৮.
পুরোনো স্মৃতিরা সামনে দাঁড়ালে আমি ঠিকই বুকে টেনে আনি,
স্মৃতিগুলো বেমালুম ভুলে যায়; বলে,”আমি তোমাকে কি সত্যিই চিনি?”
১৯.
জীবন্ত গাছের এপিটাফে আজও কতো মৃতপ্রেম করে উপহাস
অ মৈত্রেয়ীর মির্চা তোমাদের বিরহেই প্রেম পায় বাঁচার নিশ্বাস!
২০.
ভাগ্য বড়ো সযতনে ঠকাতে পারে,বড়ো কৌশলী ঠগী!
ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটে নিয়ে মাঝপথে যায় ত্যাগী।