ধর্মের অন্ধবিশ্বাসে করেছে দেশটাকে দ্বিখণ্ডিত
দেশমাতার বুককে চিঁড়ে দ্বিখণ্ডিত করেছে তো
নতুন স্বপ্ন গড়ার করেছে যখন আয়োজন
শুনতে পেয়েছে কি তারা দেশমাতার ক্রন্দন?
সেই ক্রন্দন শুনলে বোধ হয় তখন মূর্ছা যেতো।
ধর্মের অন্ধবিশ্বাসে করেছে যাকে বৈমাত্রেয় ভাই
দেশমাতার প্রতি তার আবেগকেও স্থান দেয় নাই
জন্মভূমির থেকেই উচ্ছেদ করেছে যাকে
কুণ্ঠাবোধ করেনি বিতাড়িত করতে তাকে
তাদের উভয়ের পূর্বপুরুষ একই সেও ভাবে নাই।
কী পেয়েছে আর কি হারালো ভাইকে দূরে ঠেলে?
বিভেদ খুঁজে পেয়েছে কি উভয়েরই ধর্মের মূলে?
ভাগীরথী ও পদ্মা মিলেছে নাকি একই সাগরে
রক্তে ভেদাভেদ রয়েছে কি জানতে ইচ্ছা করে
ভাবতো যদি,কারোর কাছে হিসাব নাইবা দিলে।
বিভেদকামীরা আদাজল খেয়ে নেমে করলো কী?
জ্বলন্ত আগুনে মহাসমারোহে ঘৃত ঢাললো নাকি?
কত মানুষকে দেশান্তরে পাড়ি দিতে হলো
তাদের দুর্ভোগ নাইবা মুখ খুলে বলা হলো
ঠিকানা বিহীন এখনো কতজন হিসাব আছে কি?
এই উচ্ছেদের ফলে বাস্তুচ্যুতের কত কী ঘটলো
উত্তাল জীবন নদীতেই নাও ভাসিয়ে দিতে হলো
কোন চরে গিয়ে ঠেকবে নাও জানতো না
ভবিতব্য কি অপেক্ষা করে আছে সেও না
অজানা ভবিষ্যত, দেশান্তরে পাড়ি দিতে হলো।
যে যেখানেই যাক ভুলতে পারে নাড়ি ছেঁড়া টান?
জন্মভিটার প্রতিনিয়ত মন করে নাকি আনচান?
ভাঙতে পারে কেউ জীবনের স্মৃতিসৌধকে?
দু’চোখে অশ্রু ঝরিয়েও খোঁজে নাকি মাকে?
মৃত্যুমুখেও দু’হাত বাড়িয়ে খোঁজে নাকি তার স্থান।