একদিন রক্ত জবা দেখে মন ভরে গেলো,
তাজা রক্তের মতো কতো প্রাণবন্ত ছিলো।
বুকের ভেতর দোলা দিলো এক আনন্দের সুর,
ফুলের মাধুরী গায়ে মিশে গেলো স্নিগ্ধ দূর।

রক্ত জবা, তুমিই তো, এক অমল রঙ,
যতটুকু তোমায় দেখি, ততটুকু তেজস্বী চমক।
হাসছে পাপড়ি, নাচছে পাতার বায়ে,
একপাল বাতাস সাথে নিয়ে খেলে যায়।

তাজা রক্তের মতো তোমার রঙের ঝিলিক,
মন থেকে মনকে ছুঁয়ে যায় তোমার মাধুরী।
তুমি শুধু ফুল নও, তুমি তো জীবনের গান,
যে গান শোনে হৃদয় হয়ে ওঠে এক নতুন জান।

এই ফুলের কোমলতা, সেই সূর্যের আলো,
হৃদয়ে একটি চিরন্তন প্রেমের খোঁজ মেলে।

রক্ত জবা, তুমিই কি জানো,
তোমার রঙে লুকিয়ে আছে এক গভীর দুঃখ,
যে দুঃখ জন্ম নেয় হাসির আড়ালে,
এক নিঃশব্দ কান্না, হৃদয়ের গহীনে।

তোমার পাপড়িতে ঝরেছে শত বছরের বেদনা,
রক্তের মতো তাজা, তবে ক্ষত-বিক্ষত।
তুমিই সেই ফুল, যা প্রেমের প্রতীক,
যে ফুলের রঙে ছড়ানো থাকে চিরকালীন ইতিহাস।

প্রতিটি পাপড়ি যেন এক জীবনের গল্প,
যার মধ্যে হারানো সময়ের সুর।
তুমি কেবল ফুল নও, তুমি এক অব্যক্ত ব্যথা,
যে ব্যথা মিশে থাকে মাটির অন্ধকারে।

তোমার রঙে দহন, আর তোমার গন্ধে স্নেহ,
তুমি এক চিরন্তন রক্তধারা,
যার কাঁপন বয়ে যায় বুকে,
এক অমল সৃষ্টির চিরকালীন গাথা।

রক্ত জবা, তুমি শাশ্বত প্রেমের চিহ্ন,
এতটা রূপে, এতটা গভীরে,
যতটুকু তোমায় দেখি, ততটুকু তোমার ভেতর,
মিশে থাকে এক দুঃখ, এক গভীর  প্রেমের অগ্নি।

রক্ত জবা, তুমিই তো এক রহস্য,
তোমার রঙে মিশে থাকে এক গভীর বেদনা।
তাজা রক্তের মতো, তোমার পাপড়ির দোলা,
গভীর রাতে যেন কাঁপে হৃদয়ের সীমানা।

তোমার রঙে ভেসে আসে হারানো স্বপ্ন,
যেমন এক চিরন্তন প্রহর, নিঃশব্দ নিঃসঙ্গতা।
তুমিই তো প্রেম, তুমিই শূন্যতা,
তোমার প্রতিটি পাপড়িতে লুকানো অগণিত আশা।

তুমিই তো জীবনের অমল রঙ,
যেখানে বয়ে যায় ব্যথা, বয়ে যায় সুখ,
রক্তের মতো তাজা, আবার মাটির মতো গভীর,
এক অগ্নিপথে পিপাসিত প্রেমের প্রতিচ্ছবি।

রক্ত জবা, তুমিই তো জীবনের সুর,
তোমার প্রতি ঝলকানির ভেতর ছড়িয়ে পড়ে অনন্ত ব্যথা।
তুমিই হারানো সময়ের স্মৃতি,
যা মুছে যেতে চায়, আবার ফিরে আসে এক নতুন আশা।

রক্ত জবা, তুমি কখনো ম্লান হবেনা,
তোমার রঙে থাকবে চিরকাল প্রেমের স্পন্দন।
অতীতের গাঁথা, ভবিষ্যতের গান,
তুমি এক অমর ফুল, যে হারায়নি আর কোনও প্রমাণ।