ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর, সেথায় আছে স্বপ্নে ভরা এক নদী,
পাহাড়ের কোলে শান্তি, হাওয়ার মিষ্টি সুরে গীতি।

ধীর পায়ে চলি সুরভিত পথে, পাথরের মাঝে হারাই নিজেকে,
প্রকৃতির মাঝে মিশে যায় মন, শান্তির এই জগতে রবে না কিছুই অনন্ত।

সাদা পাথরের ছায়ায়, আলোকিত সন্ধ্যায়,
ভোলাগঞ্জের রূপে মুগ্ধ, বিস্ময়ে ভরা এক নতুন ভাবনায়।

নদীর বুকে নেমে আসে নীরবতা, পাহাড়ের শীর্ষে উঠে আসে আলো,
এই প্রাকৃতিক মঞ্চে মিলন, মন ভরে যায় বিশাল ভালোবাসায়।

ভোলাগঞ্জের সাদা পাথরে, হাজার মানুষ ভ্রমন করে ,
পাহার থেকে নামা শীতল পানিতে সবাই দেখি গোসল করে  ।

পাহাড়ের পাদদেশে, সাদা পাথরের আছে ছড়িয়ে, দূর আকাশের নীলে রঙিন রেশ,
ভ্রমণ শেষ হলে মনে হয়, মনে হয় ফিরে যাই সেই প্রাচীন রাজকীয় দেশ।

পাহাড়ের কোলে পাথরের ছায়া,
নদীর স্রোতে হারায় দুঃখের সব মায়া।
জুয়েল ভাই হাসি দিয়ে বলে, চলেন হারিয়ে যাই এই পথে চলে।

পাথর সরিয়ে রফিক করে গর্ত, সেখানে হানিফের এক শর্ত ,
যখন গর্ত করা হবে শেষ, সেও নামবে ভেজাবে তার কেশ  ।

সাদা পাথর খুজে ফয়সাল যখন ক্লান্ত ,
একসাথে মিলে আমরা হাঁটি, পায়ের ছাপ রাখি ভোলাগঞ্জের মাটির সব প্রান্ত।

শীতল জলে পা ডুবিয়ে, পাথরে পাথরে বন্ধুত্ব গড়ে,
হানিফের গানে হৃদয় ভরে, ফয়সাল হাসিতে আলোকিত করে।

জুয়েল ভাই পাশে, রফিক সঙ্গী, এ পথের যাত্রা করে রঙিন,
নদী ও পাহাড়, সাদা পাথরে, এখনো মনে পড়ে, এটা ছিলো বন্ধুদের দিন ।

রফিক পাশে, হানিফ হাসে, জুয়েল ভাই পথ দেখায়, আনন্দে ভাসে।
এই পথে মিশে গেলো ভালোবাসা, ভোলাগঞ্জে মধুর স্মৃতি আজ স্বপ্নে ঠাসা।

সাদা পাথরে বন্ধুদের ছাপ, রোদ ঝলমলে, হাওয়ায় সুখের তাপ।
ফয়সালের সঙ্গে চলে গল্পের গাঁথা,
জুয়েল ভাই, রফিক, হানিফ - সবই শুনে সে কথা ।

পাহাড় আর নদী, দুচোখে বিস্ময়,
বন্ধুত্বের কথায়, ভরে যায় হৃদয়।
ভোলাগঞ্জে কাটানো সেই দিন,
এখনো মনে পড়ে, মনে থাকে অনন্ত ক্ষণ।