বেলা শেষে, সূর্য যখন ক্লান্ত,  
অন্ধকারের সঙ্গে এক খেলা চলতে থাকে,  
পথিক তার পা বাড়ায় উদাসভাবে,  
সে জানে না কোথায় যাবে, কিন্তু চলতে থাকে।  

কখনো এক পা, কখনো দুই পা,  
তবুও যেন সবার আগে নিজেকেই হারায়,  
মনে তার গুমোট দুঃখ, চোখে অজানা ছবি,  
পথের শেষে কি আছে, তাও সে বুঝে না।  

গাছপালা, নদী, পাহাড় সব পেছনে পড়ে,  
কিন্তু মনের ভেতর অশান্তির ঢেউ,  
একটা দীর্ঘ পথ, একটা ছন্নছাড়া রাস্তাায়,  
সে কি খুঁজছে? কি সে পাবে? কিছুই তো জানা নেই।  

সাহসী ছিল, ভেবেছিল জীবনের মানে  
এই পথেরই কোনো শেষ হবে,  
কিন্তু আজ, বেলা যখন শেষ,  
যতটুকু জানতো, তা সবই ধূসর হয়ে যায়।  

পথে পা বাড়াতে হয়, পথ না জানলেও,  
চলতে চলতে, সেই অজানা গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়,  
যে গন্তব্যের নাম অজানা,  যে গন্তব্যে গিয়ে হয়তো শান্তি মেলে,  
বা হয়তো আরও অসীম দূরত্ব

বেলা শেষ, রাত আসছে,  মনের মধ্যে প্রশ্ন বারে বারে,  
কোথায় শেষ হবে এই পথের যাত্রা?  
হয়তো কোনো ঠিকানা নেই,  
হয়তো খুঁজে পাবে না কোন সুদূর

তবে, পথিক জানে,  এ পথ তাকে একদিন নিয়ে যাবে,  
কোনো না কোনো জায়গায়,  
যেখানে আজকের এই বেলা অফুরন্ত আলো হয়ে ফিরবে।