হাত পাতিনি  কারো কাছে, উপোস করেছি  তিনবেলা
ভীরুর বংশ গেছে দুর্দিনে, আদায়  না করা সারপদার্থ
ভারী সমাজের ক্ষুধায় বেড়ে উঠে, পনেরো বছর শেষ।

জীবন হয়েছে  নরক, ঘর ভরেছে  ধোঁয়ার  সংক্রমণে
তবুও  নিবেদনে, খাজনার আগুনে  জ্বলছে দেবালয়
চোখে দেখে  নিরুদ্বিগ্ন থাকা, ভয়ের জন্ম আস্পর্ধায়।

তবুও লড়াইয়ের সমাপ্তি নেই, ঢেঁকিকলে মানুষ পিষে
বিচূর্ণন রেনু  গায়ে মেখে প্রতিশোধ নেয়  প্রতিবিপ্লবে
বজ্রমুঠিতে নিষ্ঠার ফাঁকে, দৃষ্টান্ত গ্রাহ্য  হয় না সহজে।

তবু আজ  সঙ্কল্পে বাঁচি, এক পা করে  ক্রমশ এগিয়ে
যাই দূষিত  হাতের নিকট, বেহাল স্বপ্নের মুক্ত যাত্রায়
নির্জলা উপোস অভিবন্দনে, পথ খুলে যায়  নরকের।