তোমার সময়টা এলোমেলো হয়ে পেরিয়ে চলেছে
অনেক কষ্ট আর যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে
অথচ সাজানো গোছানো
ছোট্ট সংসার তোমার,
নিজেকে উজাড় করে গড়ে তুলেছিলে।
শ্রম দিয়েছো জীবনীশক্তি নিঃশেষ করে,
ভক্তি আর আনুগত্য দিয়ে গেছো যৌক্তিক বোধ দূরে রেখে, ভালোবাসা আর বিশ্বাসের হিমালয় হয়ে থেকেছো সবসময়।
হয়ে উঠেছো সুখের নীড়,জীবনযাপনের অবলম্বন।অবাঞ্ছিত বুনো লতাগুল্মের মতো দুর্ভাগ্য নিয়ে বেড়ে ওঠা কোন অভাগার বেঁচে থাকার প্রেরণা।
তুমি জানো বা না মানো
মানো কিংবা না জানো
বিশ্বাস রেখো সবসময়,
তোমার উপস্থিতি, তোমার সাহচর্য,
তোমার হাসিমুখ সবসময় অনুপ্রেরণাময়।
তোমার চারপাশজুড়ে তুমি আলো ছড়িয়ে যাও স্বমহিমায়।
ঈর্ষণীয় স্বভাব গুনে হয়ে উঠেছো অনন্য
তুমি সব মননশীল মনে।
অভ্যাসের দাসত্ব অন্ধ করে,বোধ রূপ নেয় বন্ধ্যাত্বে, বৈষয়িক বোধে বিলুপ্ত হয় মানবিক অনুভূতি।
পুরুষতান্ত্রিক শ্রেষ্ঠত্বের আদিম রিপুর কাছে তাই বার বার আঘাত পায় নারী, নারী শুধু জেন্ডার হয়ে রয়। ভালোবাসা,ত্যাগ, ধৈর্য্য,বিশ্বাস এখানে মূল্য হারায়।
তাই বলে সত্য মিথ্যে হয়ে যায়না,
আলো আঁধারে পরিণত হয়না।
সীমাবদ্ধের আস্ফালনে অসীম কুন্ঠিত কেন হবে?
এ লজ্জা,এ দায়, এ নিদারুণ পরাজয় তারই যার চোখ দৃষ্টি মেলে শুধু চোখের সীমানায়,অন্তর লোক সবসময় অন্তর্হিত হয়ে রয়।
নিজেকে তাই ভুল বুঝনা আচমকা ঝড়ো হাওয়ায়
আপাত বিপর্যস্ত হলেও উঠে দাঁড়াও,
গুছিয়ে নিয়ে আবার সেই চিরচেনা স্থিরতায়।
সামান্য নও তুমি, অসামান্যতা
আর সহিষ্ণুতার প্রতিমূর্তি হয়ে থাকবে সবসময়।
এ আমার সৌভাগ্য যে আমি বেঁচে ছিলাম তোমার সময়ে।