আমি বিয়ে করিনি এটা কিন্তু ঠিক না
আমাকে কেউ বিয়ে করিনি।
ষোড়শ যুবকের উঠতি যৌবনে একজন কে
কাছে চেয়েছি,তবে দেখো চাওয়া টা কেনো জানি অমানিশার মাঝে হারিয়ে গেছে।
নতুবা দেখো কত যুগ পার হলো তবুও আর নতুন প্রনয়ের পাত্র হতে পারলাম না।
আমি বিয়ে করিনি এটা কিন্তু ঠিক না
আমাকে কেউ বিয়ে করেনি!
অনুরাগ বোধ হয় একটু বেশি কাটখোট্টা হয়
নতুবা সাহারা মত উতপ্ত ভরা যৌবন তখন
তবে কেনো আর পাণিগ্রহণ এর স্বাদ নেওয়া হলো না!
বোধদয় হয়েও হইলো না,কাননে কাননে নতুন পুষ্প কত ফুল ফুটিলো হাজারে হাজারে।
আমার আর যৌবন মাজহারে চেয়েও পাওয়া হইলো না কোন নবান্নের ষোড়শী রে।
বৃথা স্বপ্ন বুনি আকাশের পানে চেয়ে যৌবন আলো নিভু নিভু বার্ধক্যের ছাপ পায়ের কাছে আছে চেয়ে।
ব্যথাতুর ছিলেম তবে স্বপ্নের জাল বিছিয়েছি কত
নবান্নের কিশোর কিশোরীর মাঝে।
নিজের বেলায় শীর্ণ হাতে ফিরেছি নিজের বাটে।
আমি বিয়ে করিনি এটা কিন্তু ঠিক না
আমাকে কেউ বিয়ে করিনি।
ছিলেম যখন সুঠাম দেহী,মাথা ভরা চুল ছিলো, ছিলো মুখ ভরা দাঁড়ি।
ভেবেছিনু কোন এক অবলার মায়ায় আমার এ চলার পথ হবে অতি দীর্ঘ ধারী।
তবে দেখো সে পথ কবে জানি বক্র হয়ে নেমে গেছে গভীর জলে।
যে জলের অন্তরালে লুকিয়ে রয়েছে আমার একান্ত ক্রন্দনের মহা তল।
নেশাতুর ছিলেম,যখন সুঠাম দেহী ছিলেম তখন
ভেবেছিনু কোন এক কোহিনূর এসে পাণিগ্রহ ছলে আকড়ে ধরে নিয়ে যাবে কোন এক অজানার অন্তরালে!
তবে স্বপ্নের অন্তরালে হারিয়ে গেছে বয়সীর পদধ্বনি,এসে গেছে বার্ধক্যের ছাপ।
এ যেনো মাথা ভরা পৃথিবীর একরাশ অভিশাপ।
এহেন বয়সের কোলে ঢলে পড়েছে সেই অগ্নিময় তাগড়া শরীর লুটিয়ে পড়েছে দেহখানি বয়সের ছাপ পড়েছে গালে।
দীর্ঘ পথের নিশানা খুঁজে ঘুরে বেড়িয়েছি কতদিন ভবঘুরের ছলে।
ভেবেছিনু এ পথ পাড়ি দিবো নিরবে একলা তবে বয়সের ছাপ ঝেঁকে বসেছে দু পাশে দু গালে।
দ্ব্যর্থহীন কাতরতা আর স্মৃতির বৃহৎ মিনার বার বার নাড়া দেয় অতীতের সেই সোনালি দিনের কালে।
মনে পড়ে যায় তবে ভেবে নিরুপায়,
পথহারা পথিকের বেশে ঘুরেফিরে চলে যায়,
যেনো নিস্তব্ধ আর একাকীত্ব বধিবে আমার একান্ত নিরালায়।
খাট ছাড়া বিছানা,সাদা কালোর আয়োজন অতি উৎসাহ নিয়ে আমারে পানে করেছে তার আগমন।
আমি বিয়ে করিনি এটা কিন্তু ঠিক না
আমাকে কেউ বিয়ে করেনি!
২৪-১২-২০২৪