পুব আকাশের ঘন কালো মেঘ দেখে ভয় পেওনা
মেঘের ভেলায় ভাসতে ভাসতে পাহাড় চূড়া স্পর্শ করে
যখন তোমাদের মিলন হয়
তখনই নেমে আসে
নবধারার জল।

সুশীল সমাজে শুরু হয় বরষার কান্না
নামে দিনভর অনন্ত অবিরত...
রবির হাসি তলিয়ে যায় অন্ধকার মেঘে
সন্ধ্যের ভাব জড়িয়ে থাকে সারাদিন
ঝড়ে পড়ে নবধারার জল।

রিমঝিম রিমঝিম বৃষ্টির সুর ভাসে অন্তরে
বাড়ে উদ্যমতা, বাড়ে উত্তেজনা, শুরু হয়
আনন্দের ধুম, কাটে না রেশ-
সেই রেশকে স্নান করে কাটাও বেশ
বিলীন হয়ে নবধারার জলে-
পথ-ঘাট-মাঠ থৈ থৈ করে পানি
পল্লীবাটে ছেলে-মেয়েদের হৈ হুল্লোড়
ভাসিয়ে দাও কাগজের নৌকা
সেই নবধারার জলে-

প্রকৃতির মতো লুকোচুরি খেলে সাজো নব সাজে
নবধারায় স্নান করে, পুরোনো স্মৃতি ভুলে
দাও বুক-প্রাণ খুলে ফুলে ফলে ভরিয়েে
এমন দৃশ্যপট সৃষ্টিকরে আটকে রাখতে কবিকাব্যে।
বরষা এলে দুঃখ ভুলে নদীর কূলে
ডিঙ্গি দুলে মাঝি হারায় পথ
অন্ধকার হয়ে আসে পৃথিবী মেঘের ছায়ায়-
ভয় কিসের ঘনকালো মেঘ দেখে তোমার
তুমি যে বৃষ্টি!