আমরা হলাম শ্রমিক-মজুর,
চির বঞ্চিত থাকি,
বুকের মধ্যে হাজার বেদনা
সঞ্চয় করে রাখি।

রৌদ্রে পুড়ছি, জলেও ভিজছি,
করছি শিল্প-চাষ,
সহস্র ব্যথা বক্ষে ধরেও
খেটে চলি বারোমাস।

কেউতো মোদের আপন করেনা,
কেউতো বলেনা ভাই-
"একসাথে বসি, একসাথে থাকি,
চলো, একসাথে যাই"।

কাজের বেলায় কাজ হয়ে যায়
পাইনা ন্যায্য টাকা,
সারাটা জীবন পেতে হয় শুধু
অপমান আর ধোঁকা।

বাবুদের কাছে আমরা আবার
নীচ জাতি হয়ে আছি,
পেটের জ্বালায় জনসমক্ষে
এভাবেই মোরা বাঁচি।

ক্ষেতে ও খামারে, মাঠে-ময়দানে
ফসল ফলাই বলে-
নানা পোদ্দারি দেখায় বাবুরা,
আনন্দে পেট চলে।

কী আর করবো? বিধাতা মোদের
দিয়েছে এমন কাজ,
পরনে মোদের জীর্ণ পোশাক,
নেই বাদশাহী সাজ।

হাজার সৃষ্টি করেও ললাটে
শত লাঞ্ছনা লেখা,
আমরা যদি না শ্রম করি, তবে
দেখবে যে মরীচিকা।

সম্মান মোরা নাইবা পেলাম,
এই সুখ ভরা ভবে,
আমাদের ছাড়া কীভাবে বাঁচবে?
একবার দেখো ভেবে।

                     (রচনাকাল:- ০৫/০৩/২০২৪