গদি তোমার কেমন গদি অদৃশ্য এক খেয়াল জুড়ে,
চলছে আমার স্বপন ভাঙা তোমার গদি খুঁড়ে খুঁড়ে।।
চোখের দেখায় পাইনা তারে       চক্ষু কাঁদে আপন ভারে,
আড় চোখেতে দেখি আমি আমার নামে মন্দ ছুঁড়ে।।
গদির লোভে মানুষ দেখি অমানুষের খেলায় খেলে,
তোমার গদি কল্পনাতীত জানিনা হে কিরূপ মেলে।
মানব গদি বলের নেশায়     বধ করে প্রাণ আপন পেশায়,
তোমার গদি গড়ে কেবল নিয়ম পৃথ্বীর নীতি মুড়ে।।
মানব গদি একটা নেশা লাগে যে ঘোর পেতে তারে,
মানুষ রূপের ছল মাখে তাই পেতে শক্তি অন্ধকারে।
আলোর গদি ঝলসে আসে     দেখিনা তাই চোখ না ভাসে,
দেখতে গেলে অন্ধ হবো যাবে জানি দু'চোখ পুড়ে।।
সেথা বসে আদেশ করো হয়তো আদেশ আসে নিতি,
বুঝতে ব্যাকুল আমার পরান বুঝিনা সে কেমন গীতি।
আসন মাঝে বসে থেকে     হয়তো আদেশ আসে ছেঁকে,
নিয়ম সেথা গড়তে জানে ভাঙেনা হায় পৃথ্বী ফুঁড়ে।।
আকাশ তারা আকাশে রয় মানুষ শুধু বদলে গেলো,
পৃথ্বীর ছবি আমার কাছে লাগে যে তাই এলোমেলো।
তোমার সভার মাঝে চলে         কোন কিছুই নাইবা দ'লে
সময় এলে প্রাণের ইতির দুন্দুভি তাই বাজায় শুঁড়ে।।
এসব ভেবে মানছি নীতি আমার চলার মাঝখানেতে,
তোমার আশায় বাঁধি বাসা আসবে নীতি প্রাণে তেঁতে।
অথচ কাল চলছে বেগে        আমার প্রাণে আগুন লেগে,
খাক হয়েছি আমি শুধুই পুড়তে পুড়তে মরি কুঁড়ে।।
জীবন গদির সুখ বেদনায় ভাসে যুগল যৌথ স্রোতে,
তাই আছি হে কঠিন সময় ছাড়তে গদি মুখ্য পথে।
পাবো বলে সুখের দেখা          আছি আমি আজকে একা,
পিপড়া তবু বাঁধছে বাসা   গদির সুখের মিঠে গুঁড়ে।।