বিবেকহীনের বিবেকের অহংকার
বাহুবলে শিক্ষা জাহির এক অভিনব কৌশল!

সকাল শুভ্র আলবেলার মতো ফুটে
মৃদু বাতাসে তীব্র সুবাসিত সুযোগে হয়ে ওঠে
ঠিক যেন, ঠিক যেন নতুন ছাঁচে গড়া-
নব্য-শিক্ষিত, চেতনাহীন এক অসভ্য বর্বর।

পঙ্গপাল শাসক বিনিময় প্রথায়
বেছে নেয় ডান বাম শিক্ষক ,
নিরন্নের শিক্ষা ভাঙার উৎকৃষ্ট ওস্তাদ,
মধ্যাহ্নভোজ আত্মসাৎকারী
শৃঙ্খল শব্দের চর্চায় ফাঁদে পড়া পাখির ঘাড়ে পা রেখে
আমিত্ব প্রচারে সাজায় টাইটানিক।

অপূর্ব এক কৃষ্টি সাধনা!
ইতিহাসের গভীরে প্রকৃতি ইতিহাস না খুঁজে
অন্ধের দৃষ্টি স্বীকার! আর-
মানবতার পূর্ণগ্রাস নিকৃষ্ট পঙ্গপাল গোষ্ঠীর জলভাত।

এরাই পৃথিবীর প্রথম শ্রেণীর জীবের দাবীদার!
দাবিদার, সভ্যতার অলিন্দে পরিশুদ্ধের কারিগর!

আমি দুপুরে তন্দ্রাচ্ছন্নতার টুঁটি ধরে, ভাবছি-
বিবর্তনের ধারায় এ নিত্যতা ছবিই আঁকবো,
হঠাৎ, কম্পনে কেঁপে গেল ভূধর
রিখটার সাত আট!
সটান ছুটি ঘরের বাইরে -
সামনের বসন্ত বাগানে, মুকুলিত ঘ্রাণ ভুলায় ম্রিয়মাণ
দেখি ফুলেরা ফল দিয়ে নিস্বার্থে যায় ঝরে,
খুশির তান গাইছে পাখি সাথীরে কাছে নিয়ে।

আমি রয়ে যেতে চাই ঘরের বাইরে প্রকৃতির দরবারে,
নিকৃষ্ট পঙ্গপাল হতে একশো আশি ডিগ্রি দূরে।


ধৃতি রাজ