একটি শিশুর প্রবল কান্নার রোলে,
বাতাশ শীতল হয়ে ঝিমিয়ে পড়ে।
সূর্যটাও ঢাকা পড়ে যায়;
কালো মেঘের চাদরের ভাঁজে।
সময় দ্রুত পা চালায় পিছন দিকে।
যেন ঘড়ির পা চলতেই চায় না।
এগিয়ে যেতে চায় না,
নিজস্ব গতিতে সামনের দিকে।
একটি শিশু যখন,
তার হাত পা ছোঁড়ে
কান্নার রোল বাতাশে ছড়িয়ে,
কালের চাকাও যেন থেমে যায়।
এবং পুরো জগত থমকে দাঁড়ায় সাথে!
কী হয়েছে তার? কী?
শিশুটির জননী কি, তার পাশে নেই?
সে কি তার ওম খুঁজে পাচ্ছে না?
পাচ্ছে না; আকাঙ্ক্ষিত দুধের ঠিকানা?
বিষয়টি কি তাই?
এ সময় জননী কেবল,
তার কাছে জরুরী বিষয়!
না! তাই শিশুর কান্না আর থামে না।
এবং স্থবির জগতের স্তব্ধতাও থামে না সাথে।
সেই স্তব্ধতায় বিগলিত হয়ে,
জগতের সব বাতাশ
সব আলো একাকার হয়ে;
উড়াল দেয়। উড়ে যায় মহাশূন্যের ঠিকানায়।
সেই বাতাশের অনন্ত প্রবাহে
সেই আলোর পাখা ঝাঁপটায়
শিশুর চিৎকার প্রলম্বিত হয়
অন্তরীক্ষের ধূসর শামিয়ানায়।
শিশুটি টের পায় এখন, তার কান্নার রোল
ঊর্ধ্বে ছুটে যাচ্ছে অন্য কোন ঠিকানায়।
সে দেখে অবাক হয়ে,
তার আহাজারির সাথে, নড়ে উঠছে দিগন্ত।
সে অনুভব করে,
কী এক অলৌকিক ঢেউ বিচিত্র অবয়বে
উঠে যাচ্ছে দ্রুত।
ছুটে যাচ্ছে অসীম মহাশূন্যে!