অটল বিশ্বাসে -
একাধিক কক্ষ বিশিষ্ট বাসা বুনে বাবুই
তালগাছে।
অনির্বাণ বলে গুপ্ত সোনালি কাবিন
মৃত্তিকাতেই ফিরে অম্বুদ।
যেখানে যেরূপেই থাকুক না কেন
সমাধানে -
বিশ্বাস চির বিশ্বাসমুখী।
.
.
.
যদি না তা হয়ে উঠে
নির্বোধ ছাত্রের কষা সিঁড়ি ভাঙা সরল অংক!
অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ সন্ধ্যা, প্রিয় কবি।
আন্তরিক শুভেচ্ছা জানবেন ,কবি বন্ধু।
অথচ একটিমাত্র মিথ্যার আঘাতে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়, হয়ে যায় ধূলিসাৎ।
বিশ্বাস ভাঙার শব্দ হয়তো শ্রুতিহীন, কিন্তু তার প্রতিধ্বনি আত্মার গহীনে বজ্রপাতের মতো আঘাত করে। একবার বিশ্বাসের ভিত্তি ভেঙে গেলে, তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা সম্পর্ক, মর্যাদা, প্রতিজ্ঞা—
সবকিছু ধসে পড়ে এক নিঃশব্দ ধ্বংসস্তূপে।
বিশ্বাসের দেয়াল পুনর্গঠন করা যায়, তবে তার ইটগুলোতে ফাটল থেকে যায় চিরতরে।
চমৎকার লিখেছেন প্রিয় সাহিত্য মহারথী।