কথা বোলতে মানা, দিনে দিনে অধিকারে দিচ্ছে হানা
কু-কথা শুনেও চুপ, মানুষ যেন রাম গরুড়ের ছানা
বাইরে ঘরে তফাৎ কিছু নেই, সব খানেতে একই যন্ত্রনা
বুড়ো হলে আরো চাপে দায়, কথা বলা এক্কেবারেই মানা।
কাজ নেই তাই খৈ ভাজতে চায়, বিদ্রুপের স্বর আসে উড়ে
যা শিখেছ যা বুঝেছ সব ভুল, করেছ কি সারা জীবন ধরে ?
কেউ ভাবে না একটা ছোট্ট চারা মহীরুহ হলো কেমন করে
শোনে না কেউ অভিজ্ঞতার কথা, ধরলে ঠগে তখন আসে ঘুরে।
কথা বোলতে মানা, কারো ঘরে যদি থাকে ছোট্ট সোনা
ঠাকুমার ঝুলির গল্প হলেও বলতে তাদের ভীষণ মানা
হুকুম জারি থাকে, আজেবাজে গল্প গুলো প্লীজ বলবেন না
আবোল তাবোল শুনলে নাকি, কেউ আর মানুষ হবে না।
গবেষণা হচ্ছে শুনি, প্রাণখোলা হাসিতে কথায় শরীর ভালো থাকে
এ কথার ধার ধারেনা কেউ, মনরোগের চেম্বার বাড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে
নিষিদ্ধ উপাদানে তৈরি ওষুধ খেয়ে, সারাদিন থাকে ঝিমের ঘোরে
খোস গল্পে কথায় গানে বাঁচলে হয়ত প্রয়োজন হতো না একেবারে।
কিচির মিচির করে পাখিরা, মনের সুখে গপ্প করে বাসায় ফেরে
মানুষ চলছে উল্টো পথে, পটাপট যন্ত্রে লিখে পাঠায় পাশের ঘরে
কথা নেই অনুভব নেই, পাল্টে যাচ্ছে মানুষ রোজ একটু করে
হয়ত সে দিন খুব নিকটেই, খুঁজতে হবে কথা বলছে কে কোন ঘরে?
সোনারপুর
২১/০৯/২০২২