কৃষ্ণ গহ্বর হতে ছুটতে ছুটতে একটি আলোক বিন্দু
তের শ কোটি বছর পর
শিশু মহাবিশ্বের বীজমন্ত্রে দীক্ষিত হলো,
শূন্যতাকে সঙ্গী করে সময় তার বিখ্যাত দৌড়
শুরু করে আজও থামেনি.....
অতঃপর চার্চেও লাগানো হলো বজ্র নিরোধ শলাকা।

যতই অধর্ম হোক, সত্যই সুন্দর-
সূর্য স্থির, পৃথিবী তার চারিদিকে ঘুরছে  
চাঁদের ও কলঙ্ক আছে, আরও কত-কী!  
মেনে নিতে কষ্ট হলে চলে এসো,
গীর্জার পাশেই আমার সুবিশাল  পাঠাগার।

হলুদ আর নীলের মিশ্রণে সবুজের সৃষ্টি
একথা কেউ কেউ জানলেও
আলাদা করার উপায় জানেনা কেউ!
হাতে ধরে চিনে নিতে হয় এ বিশ্ব ল’য়ে
ঈশ্বরের পাশা খেলার দান।

গুরুরা পচনশীল শব্দ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়
হাসায়, কাঁদায়, গান শোনায়
সমস্যার গভীরে তার প্রবেশ নিষেধ,
লঘুরা বিপন্ন, নির্ভীক, সত্য প্রকাশে অকুতোভয়।
অবশেষে চিন্তায় মূর্খ, চেতনায় উগ্রবাদী
একদল প্রাগৈতিহাসিক হোমোস্যাপিয়েন্স
আমাকে গালি দিয়ে বললো:
তুই একটা মানুষ!