নীলিমায় দৃষ্টি রেখে কেউ একজন আমায়,
রাতের জোৎস্না দেখাবে বলেছিলো!
মুঠোফোনে আমার গান শুনে বলেছিলো,
" যেদিন আমরা এক হবো, সেদিন তোমার,
কন্ঠের গান শুনে রাতের আকাশ দেখবো।"
অনেক গুলো জোৎস্না কেটে গেলো,
সে কিন্তু কথা রাখে নি একটাও।
বিশ্বাসের আশ্বাস দিয়ে বলেছিলো,
লিখবে একটি প্রেমের পত্র;
যেদিন দেখা হবে দু' জনের একান্তে,
তুলে দিবে সেটা মোর করপুটে।
তাকে দেয়া কলমটার কালি শুকিয়ে গেলো,
ভাঁজের মধ্যে রঙিন পত্র পাতা নষ্ট হলো;
কিন্তু সে পত্র আর লেখা হলো না,
পৌছালো না সে প্রতীক্ষিত পত্র প্রাপকের কাছে।
আঁখিপটে জল দেখে সে আমায় বলতো,
" কখনো কোনো কারনে আমার চোখের কোনে,
সে দেখতে চায় না অশ্রুজল"
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো নিজের কিংবা অন্যের জন্য,
নয়ন থেকে মুক্তোদানা ঝরতে দেবে না;
অথচ সে আঁখির জলে কপোল ভিজে গেছে
বারবার তারই চোখের আড়ালে।
মানুষ এখন কথা না রাখার পাহাড় কাঁধে নিয়ে,
অবিরত প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায়;
তাহলে বিশ্বাস নিয়ে কাকে বলবো,
আমার কথাটি রাখো???
প্রতিশ্রুতি রাখার প্রয়োজনীয়তা যখন যায়,
মন থেকে মুছে.. কি হবে ওসবে?
সব না রাখা প্রতিশ্রুতির মাঝে রেখেছে একটা,
যা তার না রাখা কথার তীব্রতাকে ছাপিয়ে গেছে;
আর সেটা হচ্ছে বিশ্বাস ও ভালোবাসার;
যেটার প্রাণশক্তি নিয়ে এখনো বলে যাই,
" ভালোবাসা.... ভালোবাসি তোমায় "
যদি কখনো অবিশ্বাস ও সন্দেহ এসে,
হানা দেয় লক্ষীন্দর- বেহুলার বাসরঘর ;
তখন হাসিমুখে মরনের কাছে
জীবনেরে দেব নজরানা।
প্রতিশ্রুতি না রাখার বেদনা,
সহ্যের পারদ মিটারে ধরলেও;
বিশ্বাস ভঙ্গের যন্ত্রণা খান খান,
করবে ভালোবাসার হৃদয়।
তাইতো তোমায় বলছি, শোনো!
ও হৃদয়ে ঝড় তুলো না, উড়িয়ে নিয়ে যাবে;
এথায় সেথায় যেথায় যাবে,
সঙ্গী আমায় পাবে।
04 October, 2015