পৃথিবী কল্যাণে কল্যাণ-ময় হতে পারতো-
মানুষের ছোঁয়ায়-
কিন্তু-
যা দেখি তা কেবলই শূণ্যতা।
আমরা-
সকলি করছি নাকি দেখছি নাকি ভান ধরছি
কেবলই অভিনয়ের?
এ কোন নিয়মের মানবতা?
খাচ্ছে দাচ্ছে আয়েশ করছে
যেখানে সেখানে হামেশা ডুব দিচ্ছে,
নিজের সবটুকু বুঝতে দ্বিধা কে করে?
আমিও এখানে নিয়ম করে রোজ-
দেখাচ্ছি হাস্যকর ভদ্রতা।
কে ভালো এখানে?
আমরা সবাই? না! তাহলে?
হয়তো কেউ! কিংবা অনেকেই,
অথবা কেউ না, সবাই তো না! তাহলে?
ভালো'র বীপরিত মন্দের দল'তো থাকবেই
এরকমটাই বলছে আদিম সভ্যতা।
বলা হয়েছে-
মানুষ ভজো, মানুষ পড়ো, মানুষ চিনো,
মানুষ হয়ে মানুষ মারতে তো বলা হয়নি!
মানুষকে সম্মান করতে বলা হয়েছে,
সম্মান কতোটা করছে মানুষকে-
আমাদের এই মানব সভ্যতা।
মানুষই নাকি শান্তির দ্যূৎ এখানে?
অথচ,
দেখো পৃথিবীর প্রান্তর জুড়ে চলছে-
কেবলই মানুষের কেমন অরাজকতা!
যুদ্ধ হানাহানি, রাহাজানি, মানুষ হত্যা;
এ'কি দম্ভ মানুষের অন্তরে?
নষ্ট চেতনা, ভ্রষ্ট পরিকল্পনা,
অসম্মান আর বেহায়াপনা!
কি জঘন্য মননের বাস-বাসনা।
পৃথববীর মানুষ একেকটা-
রক্ত চুষে খাওয়া শকুন যেনো!
মানুষ হয়ে গেছে মানুষের আর্তনাদ!
মানুষ করছে মানুষ হত্যা।
কত মায়ের আদরের সন্তান
নির্দ্বিধায় মেরে ফেল্ল!
তুলে দিচ্ছে পিতার কাঁধে-
তরুণ সন্তানের লাশ!
কত তরুণীর আর্তচিৎকার;
কেঁপে উঠেনি ধর্ষকের বুক।
মানুষের লাশের উপর দাড়িয়ে-
মানুষ করছে উল্যাস!
মানবিক অভিনয়ে মানষই সেরা,
শুধু কথায় ঠনঠন, বুলিতে বাজিমাৎ
দীর্ঘশ্বাসগুলো যেখানে বলে যায়-
দেখো কি চমৎকার, কত কুৎসিৎ
মানুষের নির্মম এই মানবতা।
হায় দেবতা-
এ’কি মহান তুমি?
বড়ই মহান!
পৃথিবী মুগ্ধ, অবিরাম ক্ষুব্ধ-
তুমিই শ্রেষ্ঠ হাহাকার কন্ঠ!
তোমার ঝলকে পুঁড়ে যাচ্ছে দেখো-
ঐ জাত-বিধাতা।
আহা,
কি ঐশ্বরিক তোমার এই-
কাল্পনিক সভ্যতা।