সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের জন্য মৃত্যুর পরও মানুষ বেঁচে থাকে মানুষের জগতে। বিশ্বের বিভন্ন অংশে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিভিন্ন বিষয়ে সৃজনশীলদের অবদান অমর হয়ে আছে। এদের চিন্তা-ভাবনা, আবেগ-অনুভূতি খুব দ্রুত এবং প্রখর হয়। অন্যেরা একটি বস্তু বা বিষয়কে সাধারণভাবে দেখলেও, একজন সৃজনশীল ব্যক্তি তার ভেতর থেকে বের করে আনতে পারেন অসাধারণ কিছু। কবিদের অপরিমেয় সৃজনীশক্তির কারনেই সৃষ্টি হয় অসাধারন নতুন নতুন কবিতা। তাদের থাকে কল্পনা-শক্তি, ভাষা-জ্ঞান, শব্দ-ভান্ডার, ছন্দ-মিল...। এর সাথে জড়িত বাহ্যিক কারন এবং করণীয়গুলো কম বেশী সকল কবিই জানেন। আসলে মানুষের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন সৃজনশীলতায় সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করে। বিগতকালে ব্রেইনের ডান অংশকে এ কাজের কেন্দ্র বলা হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষনায় নির্দিস্ট সংখ্যক ব্যক্তিকে ক্রিয়েটিভিটি টেস্টের আওতায় এনে নিউরো-বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হচ্ছেন যে মানুষের ব্রেইনের ডান এবং বাম অংশের হোয়াইট মেটারের মধ্যকার সংযোগ যত বেশী থাকবে সৃজনীশক্তি তত বেশী হবে। কবিবন্ধুরা চলুন সবাই মিলে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই আর তার দেয়া এই অমূল্য সম্পদ ব্যবহার করে কবিতা লিখি! শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে ভাষা মুক্ত হয়েছে তা শব্দ-মালায় সাজিয়ে রাখি!!


Highly creative people have significantly more white matter connections (shown in green) between the right and left hemispheres of the brain **Please find attached image, courtesy of Daniele Durante, University of Padova