আমার লুকানো কষ্টের গলিতে নিয়মিত কষ্টেরা দল বেঁধে মিছিল করছে;
হিংসেয় জ্বলে পুড়ে মরছে কিছু নরকের কীট;
আমার কষ্ট দেখে যাদের ভালো লাগে খলখলিয়ে হেসে উঠছে কেউ কেউ ;
তারা বলছে এ নাকি নাটকীয় অশ্রুপাত।
আর আমি?
আমি তো আমার আবেগ নিয়ে বোকার মত ফেলে যাচ্ছি চোখের জল ফেলছি লবনাক্ত জল।
আমার এমন কিছু কষ্ট আছে,একান্তই নিজস্ব;
কেউ নেই কেউ নেই শোনার মত
চোখ ভিজে ভিজে উঠছে অনবরত;
ওরা আমার কান্নাকে ড্রামাটিক ভাবছে!
ওগো ঈশ্বর জগদীশ ;আমার বেলায়ই এমন কেন ঘটে চলছে?
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
এত কষ্ট যখন দিয়েছই তবে কেন মানুষরূপে বানালে?
জড় করে যদি বানাতে হয়তবা কষ্টগুলো সব গায় লাগতনা,
মানুষ আর সংসার ঘর কি শুধু স্মৃতির জ্বলন্ত মোমবাতি,
যার একদিকে ছায়া দিলে অন্যদিক আলোকিত করে?
জগদীশ্বর ;এই তামাম নশ্বর দুনিয়ায় মানুষ এত হতভাগা কেন?
কেন মোমবাতির মত জীবন কাল তার জ্বলন্ত আর গলন্ত?
কেন একপাশ তার প্রতিষ্ঠিত করে অন্যপাশ হয় স্মৃতি বিজড়িত দুঃখের কষ্টের আর সাগর সম কান্দনের?
অনবরত ঐ দানাবাঁধা মুক্তোর দানার মত জল পরেই চলছে;
ঘুমহীন হয়ে পরেছি কান্নাগুলো ঘুমকে দূরে অদূরে তাড়িয়ে দিয়েছে।
আমি আজ মাফ চাই;আমাকে মুক্তি দাও এই কষ্টগুলো থেকে ঈশ্বর তোমাকে ধন্যবাদ।