পালাতে পালাতে ক্লান্ত দেহ
   ভিজায় জামা রক্ত,
তোর দগ্ধ হাতটি আমায়
   বাঁধন দিল শক্ত।


সেদিন তাদের বিধান ছিল
   কঠিন কুঠার ঘায়ে,
মোদের প্রেম খণ্ড করে
   আঘাত কর পায়ে।


বলেছি মোর তীক্ষ্ন স্বরে
   আঘাত কোরোনা বৃথা,
সালিশ সভায় মোড়লের রায়
   দলিত করে মানবতা।


ভালোবাসার জাত নেইগো
   প্রেম খোদার দান।
ভালোবাসাযে শান্তি বহে
   প্রেমের ভিক্ষুক ভগবান।


তবুও তারা ছাড়েনি মোদের
   আগুনে  দগ্ধ করে।
ঝাঁপ দিয়ে নদীর স্রোতে
   পালালাম মোরা দূরে।


মনে হয় পৃথিবীর বুঝি
   শেষ সীমানায় আজ,
নেইতো মোড়ল নেই সালিশ
   নেই সবলের রাজ।


মাঝে মাঝে আমার গ্রাম
    দেয়যে হাতছানি,
মোদের পোড়া দেহ মুখ
   চিনবেনা কেহ জানি।


আজ যেন  সেসব দিন
   খুঁজি আকাশ পরে,
ভাই বোনদের নিয়ে মোদের
   সংসার ছিল ভরে।


ছোট্ট ছোট্ট সুখগুলো
   মনের উঠানে খেলতো,
প্রজাপতির মতন তারা
   রঙিন ডানা মেলতো!


পৃথিবীর শেষ ঠিকানায় আজ
   ভালোবাসা চোর হয়ে,
চলেছি দুজনে এক নায়েতে
   জীবনের স্রোত বেয়ে।