পথের দুধারে ধানের খেত আর তাল খেজুরের সারি,
রাঙাধূলো উড়িয়ে পথে সারাদিন চলে গরুর গাড়ি।
দূরে ওই আকাশপারে শুনি আমি শঙ্খ চিলের ডাক,
অজয়নদের পথের বাঁকে উড়ে বন শালিকের ঝাঁক।


বনের টিয়া লুকায় এসে সবুজ ধান খেতের আলে,
বীর হনুমান বসে থাকে ঐ উঁচু গাছের লম্বা ডালে।
ময়না শালিক ঝগড়া করে বট অশ্বত্থ তরুর শাখে,
পথের দুধারে বাঁশের ঝোপে মুরগীরা রোজ  ডাকে।


দিঘির জলে মরাল-মরালী ভাসে সাঁতার কাটে খুব,
পানকৌডি ঊড়ে এসে হেথা দিঘির জলে দেয় ডুব।
গাঁয়ের বধূরা কলসী কাঁখে জল নিতে আসে ঘাটে,
মাঠে মাঠে সোনার ফসল ফলে সোনাডাঙার মাঠে।


দিবসের শেষে সূর্য অস্ত যায় নামে সাঁঝের আঁধার,
রাতের বেলা চাঁদের আলোয় আলোকিত চারিধার।