পটলচেরা চোখ, আর গোলাপি তার ঠোঁট
মনের এই ইলেক্শনে দিয়েছিস তাকেই শুধু ভোট ।
সে ছিল তোর সব অজুহাতে,সে আছে তোর চরম আঘাতে ;
তার হাসি ছিল তোর অভ্যাস,তার স্বর ব্যাস্ত ছিল তোর ঘুম ভাঙাতে ।
একটু অহংকারী,একটু লাজুক,একটু রূপ আর একটু হাসি মুখ,
যখন সে রাগে ফর্সা গালে ভুরু কুঁচকে লাল হয় তার চিবুক ।
ভাষা হারানো সেই মুহূর্ত আজ অনেকটাই হয়ে গেছে ফিকে,
হারানোর ভয়ে বাঁচতে ভুলেছিস, হারিয়েছিল ভালোবাসার মানুষটিকে ।


স্পর্শকাতর তুই আড়াল থেকে আদর করিস ,
নীরবতার অন্ধকারে দুস্টু জোনাকি হয়ে ফিরিস ।
সোনালী দিনগুলোতে আত্মহারা হয়েছিস যত,
কালবৈশাখীতে জীবনের মূলমন্ত্র হয়েছে ক্ষত-বিক্ষত ।
অর্থাভাবে তুই গরিব তাই ভালোবাসাটা ঠিক আসেনা
গৌণ ধর্মে বিশ্বাসী তুই,তাইতো ব্রাহ্মণরা ঠিক মেশেনা ।
নিজের ছায়াও সাথ ছেড়েছে এই ক্লান্ত পথিকের পথ চলায়
অলীক সুখের আসায় কাটা হয়ে বেঁধেছে বাসা গলায় ।


ফুল ভালো লাগতো তোর,তাইতো আজ সর্ষেফুল চোখে
আড়াল থেকেই ভালোবাসিস,শব্দ গুলো আসেনা কেন তোর মুখে ।
যে ঠোঁটে তার ছোঁয়া ছিল আমের মতো অমৃত ;
আজ কেন সে  বিষাক্ত নিমপাতার মতো তেতো ।
ঠিক যেন তুই বুঝিসনা সে কি স্বপ্ন ছিল, না কি কোমল হাওয়া
এখনো মন অপেক্ষারত,যদি শেষবারের মতো তাকে যেত পাওয়া ।
পরিবর্তনের যাঁতাকলে পিষে নিজের সত্তাটাই তুই গেছিস ভুলে
ধ্বংসটাতো ততকাল নই, সময়ের অবহেলা আছে এর মুলে ।।