মৃত্যুকে আমি জানি, মৃত্যুকেই জন্ম বলে মানি।
মৃত্যু আমার বিধাতা, সে যে বিশ্বকর্তা,  
মহাকালের মহাবার্তা,  
আছে মৃত্যু তাই আছে সব;    
না থাকলে সে
             শূন্য অপূর্ণ সকল কলরব,  
মান-অপমান ভাল-মন্দ জ্ঞান-বিজ্ঞান
সকলি মিছে, মিছে জীবনের সব অনুভব।  


আসেনি জন্ম মরনকে করিতে জয়,
আসে সে প্রকাশিতে মৃত্যুকে আপন মহিমায়,    
জীবনের উচ্ছ্বাসে মৃত্যুকে ধরে সে মেলে  
মুগ্ধ সৃষ্টির প্রেরণা - চেতনার ভালোবাসায়।  


মৃত্যু? সে যে সকল কিছুর উর্ধে বিশ্বপরিসরে
আমার জন্মকে সে রেখেছে অমর করে ...
শেষ প্রহর অতিক্রান্ত হলে  
শান্তিতে আমি ঘুমাবো তার আদরনীয় শীতল কোলে,
স্নেহসুধায় ভরা মায়াময় প্রশান্ত তার ছায়ায়।  
সেখানে নেই কলরব, নেই ধংসের ভয়, নেই কোন উৎপাত,
আছে শুধু স্বপ্নের অনুভব, অনাবিল চলমান অসীমের স্রোত,
সীমাহীন এক পূর্ণ সৌম্যতায় সেখানে খেলা করে
অমরতা, শুধু আমার চিরশান্তির তরে।      


সেখানে কাল নির্লিপ্ত, সবকিছুর উর্ধে থাকব আমি সেই ঘরে,  
আমার নিজের ঘর –  
সেখানে আমিই শুধু একান্ত আমার,
সেখানে মৃত্যুই আমার একমাত্র ভালোবাসা ও গতি, আমার অন্তরের ঈশ্বর!