খবরের কাগজে আমি চোখ বুলাই না তেমন।
ঘেন্না লাগে, লজ্জা লাগে!
চোখ রক্তবর্ণ হয়, তবু কিছু করতে পারিনা!
সৎ বাবার কর্তৃক ধর্ষিতা হয় দশ বছরের বালিকা।
মেয়েটা তাকে বাবা ডাকতো?
ইশকুল শিক্ষক ধর্ষন করলো, সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী'কে।
শিক্ষক কি পিতৃতুল্য?
আরো আছে,
ইফতারের দাওয়াত দিয়ে ধর্ষন পাঁচ বছরের কন্যাকে।
লোকটা সেদিন রোজা রেখেছিলো!
প্রথমে ধারালো ব্লেড দিয়ে কেঁটে প্রসস্থ করে নেয় যোনিপথ।
আচ্ছা, পাঁচ বছরের একটা মেয়ে'কে দেখে কাম জাগে?
পাথরের মূর্তি দেখলেও?
মন্দিরের দেবী প্রতিমা দেখেও?
অগোছালো ঘুমিয়ে থাকা বোনের দিকে তাকিয়েও?
ছোটবেলায় তৃষ্ণা মিটতো মায়ের স্তনপানে!
এটাও কি ওদের কল্পনায় আসে?
আসতেই পারে! এখন আর অস্বাভাবিক নয় কিছুই।
সম্মান বাঁচাতে মেয়ের গর্ভপাত করায় মা!
চুপচাপ নীরবে মুখ বুজে মেনে নেয় নিজের স্বামীর অপরাধ।
একটা প্রশ্ন ঘুরছে মাথায়, তুমি কি উত্তর জানো?
মানুষ যদি জন্মে থাকে মায়ের যোনিপথে,
ধর্ষক গুলোর জন্ম হলো তবে কি ভিন্ন পথে?
সেদিন ধর্ষিত হয়ে খুন হলো যে মেয়েটা,
আরে চিনতে পারছো না?
ওই যে মেয়েটা, হ্যাঁ, যার ধর্ষন কিবা খুনের কোনো বিচারই হয়নি, সেই মেয়েটা।
ওর প্রেতাত্মা হেসে বেড়ায় চারদিকে।
আর নিত্য ধর্ষিত হয় আমার প্রেমিকা, বোন আর মা!
আমি ক্ষমা চাই, প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে থাকা সেই ধর্ষিত প্রেতাত্মার কাছে!
এছাড়া আমার আর কিছুই করার থাকেনা!
বিচারের মঞ্চে বসে তামাশা দেখতে থাকা দর্শকেরাও একদিন খবর পাবে,
কারো প্রেমিকার সতীত্ব হননের!
কারো অজ্ঞান স্ত্রী নগ্ন বেশে পরে আছে রাস্তার পাশে!
গায়ে আগুন জ্বেলে আত্মহত্যা করেছে কারো ধর্ষিতা মা!