অমন করে জীবন বাঁচে অমিনেষ।
কতবার চেয়েছি, এ জীবন ডিঙ্গে
আকাশের কপালে চুমো দেবো।
পারিনি।অমিনেষ।
স্বপ্নের সাঁকো থেকে গড়িয়ে পরেছি বার বার
পার হতে পারিনি কোন দিন।
মানুষকে দেখছি  মদের গ্লাসে জীবন চুমো দিতে
শূকুরের গোস্তের কাবাবের স্তূপ পাশে।
জিহ্বে পানি আসেনি কোন দিন।
ডালিম কুমারের পঙ্খীরাজে চড়ে অপেক্ষা করেছিলাম,
অর্পিতাদের সদর দরোজায়।অর্পিতা  উঠেনি পঙ্খীরাজে।
ছোট জাতের রক্ত গায়ে আমার।
ভেবে ছিলাম ভালবাসাকে বাঁচাতে, রক্ত বদলে নেবো।
রক্তের এত ভেদাভেদ। ঈশ্বরের অত অপমান ঠেকাতে পারিনি আমি।
ছেলেবেলায় পয়সা ছিলোনা বলে,বাইস্কোপ ওয়ালা
চুল টেনে উঠিয়ে ছিলো ফোকর থেকে।
শালার ব্যাটার বাইস্কোপ কিনে নেবো কোন একদিন।
আমার পাশে পয়সা ছাড়া, যারা দাঁড়িয়ে ছিলো।
ওদের বিনে পয়সায় দেখাবো।
কোন দিন কেনা হয়নি বাইস্কোপের বাক্স।
জুয়া খেলিছি পথের ধারে, বাজারের টাকায় জুয়া
খেলা।জিতে জিতে, শেষ দানে জিতে নেবো সব।
বাজারের ব্যাগ পুরে নেবো টাকা।
শেষ দানে হয়নি আমার।শূন্য ব্যাগে ঘুরেছি বনবাদাড়।
মা,সন্ধ্যে বেলা খুঁজে পেয়ে ছিলো শাঁওদের ঝোপে।
পা ধরে কেঁদে কেঁদে বলেছি,
তোমার মাথার কিরা খেয়ে বলছি,
আর খেলবো না কোনদিন।
উপশ মায়ের কান্নার আওয়াজে ঘুমোতে পারিনি,
সারা রাত।নিজের ক্ষুদার যন্ত্রনা ভূলে, তওবা করিছি বার বার।
কোন লাভ হয়নি।অমিনেষ।
জীবন নিয়ে জুয়া খেলে জিততে পারিনি।
কত বাবুদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছি।
কেউ হাত টেনে তুলেনি জীবনের গর্ত থেকে।
যে যখন সুযোগ পেয়েছে, কাঁধের উপর দাঁড়িয়ে
দাবিয়ে দিয়েছে নাক পযর্ন্ত।
আমি এখন নিঃশ্বাস নিতে পারিনা
মৃর্ত্যু গলায়  ঠেকেছে আজ।
নির্বাচনের ব্যানার নিয়ে, মিছিলে ভাবি
নিজের ছবি লাগিয়ে দেবো আগামীতে।
আগামী আর  হয়ে উঠেনি জীবনের।
হাত উচু করে বেঁচে আছি, মাথা সোজা করে দাঁড়াতে
পারিনি এখনও।
অমিনেষ।আমি বেশী কিছু চাইনি তোর কাছে।
এক বাসন মোটা চাউলের ভাত।