(১)
বিশেষ দিনের দামী টফি(চকোলেট)
হঠাৎ কেড়ে নিলো ।          
এপিঠ ওপিঠ গন্ধ নিলো নিজের মত করে
দাঁতের ফাঁকে রেখে সে, দিলো লম্বা দৌড় ।  
ঝুঁকিয়ে মাথা রাখলো প্রভুর পায়ে ;
লম্বা জিভে ঝরিয়ে ফেনা
একরাশ দম নিলো ।  
(২)
এঁকেছি ফুল স্কেচ পেন্সিলে খাতায় ।
তালপাতার পাখায় দিলাম হাওয়া,
উড়লো কাগজ ঘরের চার কোণে ;
বসে থাকলাম ফুলের গন্ধ আশায় ।
(৩)
আমার ঠোঁটের ফাঁকে হাসি -
মনে হয় সবার কথায় অতি অ্যাটেনশন ;
মুখের সাথে পারফেক্ট ম্যাচ
কেবল ‘অটোমেশন’ ।
মানুষের খেলা হয়ে দাঁতে ঘষি মিশি ।  
(৪)
নবীন বসন্ত, ভাবগম্ভীর কবিদের
ভারভারিক্কি আসর ;  
ছক্কা-পাঞ্জা সতরঞ্জে পেয়ালায় মদিরা
দামী সুবাস আতর ।  
বুরবুরি সাদা ফেনায় নীরবেই ভাসি ।  
(৫)
কাব্য বাসরে,
মাখোমাখো কাব্যগাথা ভাষার কবলে ।  
কবির তকমা লেবেল এঁটে ফতুয়া চড়িয়ে,
হিসেব মত মিলিয়ে খাপে ব্যস্ত বুননে ।
পর্দা ফাঁকে নজর রেখে থাকি খবরে ।  
(৬)
পক্ককেশের অভিজ্ঞানে মিশছে আবেগ
অনুভূতির সখেদ ছলনা ।  
খোলা সৈনিক - তবুও আন্তরিক !
ছকে বাঁধা নির্দেশিত পথ,  
সেইতো আবার কম্যান্ডোর জটিল কল্পনা ।  
(৭)
কাব্যে জটিল গাঁট -
জীবনবোধে রূপক মুড়ে কিম্ভূত বিভ্রাট,  
ছন্দ কোঁদলে ;    
ঠোঁটের ফাঁকে মুচকি হাসি পড়লো একটু ঝুলে ।  
দুধমাখা ভাত মিশলো যখন লবণ গোলা জলে ।